জ্ঞানচর্চার সফলদের হল অব ফেম
যাঁরা প্রতিদিনের অনুশীলনে বিশ্বাস রেখেছেন, ভুল শুধরে এগিয়ে গেছেন এবং ছিনিয়ে এনেছেন কাঙ্ক্ষিত ক্যাডার ও ব্যাংকের গৌরবময় পদবী।
৪৫০০+
বিসিএস সুপারিশপ্রাপ্ত
৭২০০+
সরকারি ব্যাংকার
১২,০০০+
প্রাথমিক ও শিক্ষক নিবন্ধন
১০০%
সত্যতা ও স্বচ্ছতা
তানভীর হোসেন
৪১তম বিসিএস (প্রশাসন)"চাকরির পরীক্ষার আসল চ্যালেঞ্জ হলো সময়ের সঠিক ব্যবহার আর ভয় দূর করা। জ্ঞানচর্চার নিয়মিত লাইভ মডেল টেস্টগুলো দিয়েছিলাম। মূল পরীক্ষার দিনে মনে হয়েছে যেন জ্ঞানচর্চায় আরেকটি সাধারণ মডেল টেস্ট দিচ্ছি। এই কনফিডেন্সই আমাকে সফল করেছে।"
শারমিন আক্তার
৪০তম বিসিএস (পররাষ্ট্র)"আমি মফস্বলে ছিলাম, কোনো বড় শহরে গিয়ে নামীদামি কোচিং করা সম্ভব ছিল না। জ্ঞানচর্চা অ্যাপ আমার কাছে ছিল আর্শীবাদের মতো। বিশেষ করে ওদের প্রতিটি প্রশ্নের নিখুঁত রেফারেন্স ও ব্যাখ্যা পড়ার অভ্যাস প্রিলির বিশাল সিলেবাস সহজ করে দিয়েছিল।"
রাকিবুল হাসান
বাংলাদেশ ব্যাংক এডি"ব্যাংকের ম্যাথ এবং অ্যানালিটিকাল সেকশনে স্পিড বাড়ানো ছিল সবচেয়ে জরুরি। জ্ঞানচর্চায় টাইমারসহ পরীক্ষা দিয়ে দিয়ে স্পিড যেমন বেড়েছে, তেমনি কম্পাস ফিচার আমাকে বলে দিয়েছিল কোন অধ্যায়ে আমার ভুল বেশি হচ্ছিল।"
মাহমুদ জামান
৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য)"মেডিকেলের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান ও বাংলার মতো বিষয়গুলো পড়া অনেক কঠিন ছিল। কিন্তু জ্ঞানচর্চার আর্কাইভ থেকে প্রতিদিন ৫০টি করে প্রশ্ন প্র্যাকটিস করে আমি সহজে পুরো প্রস্তুতি গুছিয়ে নিতে পেরেছিলাম।"
ফারহানা তাসনিম
৪১তম বিসিএস (শিক্ষা)"পরীক্ষার নেগেটিভ মার্কিং কমানোর সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে মক টেস্টের অভ্যাস। জ্ঞানচর্চা অ্যাপে ভুল করা প্রশ্নগুলো আলাদা ব্যাংকে জমা থাকা এবং পরে রিভিশন দেওয়ার সুবিধাটি আমার স্কোর অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল।"
আরিফুল ইসলাম
সিনিয়র অফিসার (সোনালী ব্যাংক)"চাকরির পাশাপাশি প্রস্তুতি নিতে গিয়ে সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল যেকোনো সময় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ। লাইভ পরীক্ষা মিস হলেও সেন্ট্রাল আর্কাইভে গিয়ে পরীক্ষা দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ জ্ঞানচর্চা টিমকে।"
আপনিও কি জ্ঞানচর্চা ব্যবহার করে সফল হয়েছেন?
আপনার অভিজ্ঞতা অন্য লাখো চাকরিপ্রার্থীকে সাহস ও অনুপ্রেরণা যোগাবে। আপনার সাফল্যের গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করুন।
আপনার গল্প পাঠান →